প্রচ্ছদ >> ফিচার

সিরিয়ায় ‘যৌন জিহাদ’ করছেন তিউনিসিয়ার নারীরা!

ডেস্ক নিউজ: তিউনিসিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লতিফ বেন জেদদৌ বলেছেন, তাঁর দেশ থেকে বহু নারী সিরিয়ায় পাড়ি জমিয়ে সেখানকার সরকারবিরোধী ইসলামপন্থীদের ‘জিহাদে’ যোগ দিয়েছেন। তবে ওই নারীরা অস্ত্র নিয়ে লড়াই চালাচ্ছেন না। ‘জিহাদ-আল নিকাহ’ হিসেবে পরিচিত যুদ্ধকালীন সাময়িক বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে তাঁরা মুজাহিদদের ‘উদ্দীপ্ত’ করে পরোক্ষভাবে ‘জিহাদ’ করছেন। ‘হাফিংটন পোস্ট’-এর এক প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়েছে।
পার্লামেন্ট অধিবেশনে দেওয়া বক্তৃতায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বেন জেদদৌ বলেন, ‘তিউনিসিয়া থেকে সিরিয়ায় যাওয়া ওইসব নারী ২০, ৩০, ১০০ জনের সঙ্গে যৌন সংসর্গে লিপ্ত হচ্ছেন। জিহাদ আল নিকাহর নামে অবাধ যৌনাচার শেষে গর্ভবর্তী হয়ে দেশে ফিরছেন।’ তবে সিরিয়ার জিহাদিদের ঔরসজাত সন্তান পেটে নিয়ে এ পর্যন্ত কতজন তিউনিসিয়ায় ফিরেছেন, সে ব্যাপারে তিনি বিস্তারিত কিছু বলেননি।
সুন্নি সালাফিপন্থী কিছু আলেমের মতে, যুদ্ধকালীন সাময়িক বিবাহ বা ‘জিহাদ আল নিকাহ’ বৈধ। এই ধরনের ‘জিহাদি বিবাহ’তে কোনো মুসলিম নারী কোনো মুজাহিদকে বিয়ে করে তাঁর যৌনসঙ্গী হতে পারেন। আবার দ্রুতই তাঁরা বিবাহবিচ্ছেদ ঘটাতে পারেন। এই ধরনের সাময়িক বিয়ের মাধ্যমে একজন নারী এক দিনে একাধিক পুরুষের শয্যাসঙ্গী হতে পারেন।

সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদকে ক্ষমতাচ্যুত করার লক্ষ্যে বিদ্রোহীদের দলে যোগ দিতে তিউনিশিয়ার বিপুলসংখ্যক তরুণ এখন সীমান্ত পাড়ি দিতে চান। এমন ছয় হাজার তরুণকে গত মার্চে আটকানো গেছে বলে জানান তিউনিশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

 

আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মিডিয়ার খবর থেকে জানা যায়, গত ১৫ বছরে তিউনিশিয়ার কমপক্ষে এক হাজার তরুণ জিহাদিদের দলে যোগ দিয়েছেন। তাঁরা আফগানিস্তান, ইরাক ও সিরিয়ায় গেছেন। মূলত তাঁরা তুরস্ক ও লিবিয়া হয়ে ওই দেশগুলোতে গিয়ে জিহাদিদের সঙ্গে ভিড়েছেন।

2014-01-15-00-32-47 পৃথিবীর সৃষ্টিলগ্ন থেকে মানুষ ধাপে ধাপে উন্নতির পথে এগিয়ে যাচ্ছে। সভ্যতার পরিবর্তন হচ্ছে মানুষের উন্নতির মাধ্যমে। যে কাজ নিজের কল্যানের তা অন্যেরও কল্যানের। সেজন্য পুরাতন সমাজ ব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটে নতুন সমাজ ব্যবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে। মানুষের স্বভাবজাত ধর্ম-সে উন্নতির চরম শিখরে পৌঁছাতে চায়, ধর্ম-বর্ন-গোত্র নির্বিশেষে সকল মানুষের চাওয়া। শিশুকাল থেকেই...
     
 
এই বিভাগের সর্বশেষ আপডেট